সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ন

বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন বাগেরহাট জেলা কমিটির পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা
সংবাদ শিরোনাম :
ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে নববী আদর্শ বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। বাগেরহাটের মতবিনিময় সভায় বক্তারা রাখালগাছির কৃতি সন্তান হাবিব জেলা ছাত্রদলের সিনি: যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জলবায়ু বিপর্যয়ের ঝুকি মোকাবেলায় উপকূলীয় অঞ্চলকে সুরক্ষিত রাখতে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক হলেন বাগেরহাটের কৃতি সন্তান রবি সাংবাদিকের উপর হামলা নয়, এটি সাংবাদিকতার স্বাধীনতার উপর আঘাত চুলকাটি প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা বাগেরহাটে ১০ কেজি গাঁজা’সহ দুই মাদক কারবারি আটক চুলকাঠি পলাশ কিন্ডার গার্টেনে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী রামপাল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোঃ মহিবুল্লাহ শেখকে দেখতে চায় জনগণ বাগেরহাটে তথ্য অধিকার ও জবাবদিহিতা বিষয়ক আলোচনা সভা বাগেরহাটে জেলা সমবায় ভূমির উন্নয়ন ব্যাংকের ২৩তম বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত
উচ্চমাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় ব্যাকরণ

উচ্চমাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় ব্যাকরণ

চুলকাঠি ডেস্ক : বর্তমানে প্রত্যেক দেশের ভেতর চলছে এক অস্থির অবস্থা, যেখানে ভয়াবহ মহামারী করোনা তার আতঙ্ক দিয়ে গ্রাস করতে যাচ্ছে আমাদের। কিন্তু প্রত্যেকের সচেতনতা, সবার প্রতি দায়িত্বশীল মানবিক আচরণ এর মাধ্যমে একটু হলেও দূরে থাকা সম্ভব। তাই এই থমকে থাকা সঙ্কটময় মুহূর্তে যেন থেমে না থাকে পড়াশোনা তাই আমাদের আজকের আলোচনা ব্যাকরণ অংশের অন্য একটি প্রশ্ন নিয়ে। আশা করি শিক্ষার্থীদের উপকার হবে।

প্রশ্নঃ ভাষার অভ্যন্তরীণ নিয়ম শৃঙ্খলা আবিষ্কারের নামই ব্যাকরণ- আলোচনা কর।

উত্তরঃ ব্যাকরণ শব্দের বুৎপত্তি বি+আ+√কৃ+অন। এর অর্থ বিশেষভাবে বিশ্লষেণ করা। ডঃ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, “যে বিদ্যার দ্বারা কোনো ভাষাকে বিশ্লেষণ করে তার সকল বিষয় আলোচিত হয় এবং সেই ভাষার পঠনে, লিখনে ও কথোপকথনে শুদ্ধরুপে তাহার প্রয়োগ করা যায় সেই ভাষাকে সেই ভাষার ব্যাকরণ বলা হয়।”
ব্যাকরণ হলো ভাষার সংবিধান। ভাষাকে ঘিরে ব্যাকরণ এর সৃষ্টি। ভাষার গতি, প্রকৃতি ব্যাকরণে আলোচনা করা হয়। ভাষার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে ব্যাকরণ থেকে ধারণা লাভ করা যায়। দীর্ঘদিন ব্যবহারে ভাষার যে সব রীতি প্রচলিত হয়েছে তার বিশ্লেষণই ব্যাকরণের বিষয়বস্তু। ভাষা সৃষ্টি হয়েছে আগে ব্যাকরণ এসেছে ভাষার পথ ধর। অর্থাৎ ভাষা ব্যবহারের মধ্য ভাষার যখন বিশেষ কিছু নিয়ম তৈরি হয়ে গেছে তখন তা ব্যাকরণ এর নিয়ম। ভাষার নিয়ম কানুনকে সুশৃঙ্খল করে বিধায় ব্যাকরণ ভাষার সংবিধান।
কোনো ভাষা শিখতে বা জানতে গেলে সেই ভাষার বর্ণমালা থেকে শুরু করে বাক্য সংযোজন-প্রণালী পর্যন্ত কোনো না কোনো নিয়ম রীতি রয়েছে। অথচ অনেক সময় তা আছে বলে মনে হয় না। আসলে ভাষা কোন এলোমেলো ধ্বনির সমষ্টি নয়। মুখ থেকে বের হওয়া ভাষা গুলো এর সঠিক ও সুশৃঙ্খল নিয়ম থাকে। কাজেই দেখা যায় ব্যাকরণ কোনো ভাষার উপাদান এবং উপকরণ বিশ্লেষণ করে এর রীতি নীতি ও নিয়ম পদ্ধতি আবিষ্কার করে ভাষার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা আবিষ্কার করে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়- “আমি শুদ্ধভাবে উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ পড়তে চাই।” এই বাক্যটিকে যদি বলা হয়- পড়তে উচ্চমাধ্যমিক আমি ব্যাকরণ চাই শুদ্ধভাবে, তাহলে বাক্যটির অর্থ যেমন কোন ভাবে বোধগম্যহয় না তেমনি বাক্যটির বক্তব্য প্রকাশের কোনো যথার্থ নিয়ম বা শৃংখলা রক্ষিত হয় না।
উপর্যুক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে এ কথা স্পষ্ট যে ভাষার অভ্যন্তরীণ নিয়ম শৃঙ্খলার আলোচনাই ব্যাকরণ। ব্যাকরণ বিশ্লেষণ করে- ভাষার কখন কি হওয়া উচিত তা বলে না বা নির্দেশ করে না বা বিধান প্রণয়ন করে না, বর্ণনা করে মাত্র। ব্যাকরণ ভাষার শুদ্ধতা যাচাই এর একমাত্র অবলম্বন হিসেবে স্বীকার্য।

উপস্থাপনায় : রাহুল বণিক, বিবিএ(সম্মান), এমবিএ(হিসাববিজ্ঞান)

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০ – ২০২৫, www.chulkati24.com

কারিগরি সহায়তায়ঃ-SB Computers